মোহাম্মদপুর-বছিলা রাস্তা সংস্কারের দাবীতে সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), আমাদের মোহাম্মদপুর, ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ সোসাইটি (মোহাম্মদপুর), সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটস (এসএইচআর), ঐক্যবদ্ধ মোহাম্মদপুর ও বছিলা সোশ্যাল প্লাটফর্ম এর উদ্যোগে আজ ১৭ আগস্ট (রবিবার) সকাল ১০ টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়ীবাঁধ মোড়ে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত মানববন্ধনে ভারী বৃষ্টির মধ্যেও সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ তাদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করে।

মানববন্ধন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক ও গবেষক আ ফ ম মশিউর রহমান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর মোহাম্মদপুরের উপদেষ্টা রবিউল ইসলাম রুবেল, শিক্ষক নেতা এস এম শাহীন, সাংবাদিক এম এ রউফ, শ্রমিক নেতা অহিদুর রহমান এবং সাইফুল্লাহ সেলীম।

মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ মোবারক হোসাইন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা রাজিবুল ইসলাম, জামায়াতের মোহাম্মদপুর অঞ্চল টিম সদস্য ডা. শফিউর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদপুর থানা কর্মপরিষদ সদস্য রুহুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আলী আহমদ মজুমদার, শ্রমিক নেতা সেলিম, অহিদুর রহমান, লিটন সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এর নের্তৃবৃন্দ।

জনাব মোঃ মোবারক হোসাইন বলেন, লাখো মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন কার্যক্রমের বাইরে পড়ে আছে। রাস্তায় অসংখ্য খানাখন্দ, পানি জমে কাদা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি প্রতিদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। যানবাহন আটকে থাকা ও দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যামে মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, ফোর লেন হওয়ার উপযোগী রাস্তাটির বড় একটি অংশ দখল করে রয়েছে ইট-পাথরের ব্যবসা এবং ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট, যা কেবল ফুটপাত নয় বরং সড়কের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছে।
বক্তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার ও দখলমুক্ত করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তারা সড়ক অবরোধ, স্মারকলিপি প্রদানসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।